ল্যাব টেস্ট Lab Test

ল্যাব টেস্ট Lab Test

কিডনি পরিষ্কার বা ডিটক্স করার উপায় কী?: How To Cleanse The Kidney?

কিডনি একটি জটিল অঙ্গ। কিডনি পরিষ্কার করা বলতে যান্ত্রিক উপায়ে ধোঁয়া মোছা বোঝায় না। কিছু খাবার, পানীয় ও উন্নত জীবনযাত্রা দীর্ঘমেয়াদে আমাদের কিডনি পরিষ্কার রাখতে পারে। কিডনি পরিষ্কার ও সুস্থ রাখতে পারলে কিডনির কাজ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ফোলা ভাব কমে। কিডনি সুস্থ থাকলে খাদ্যের পরিপাক ও শোষণ ভাল হয় এবং ক্লান্তি দূর হয়। দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কারণে মূত্রনালি ও মূত্রাশয়ে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। এছাড়া কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা কমে, রক্ত উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা পায়। কিডনি সুস্থ থাকলে ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং একজিমা (Eczema), ব্রণ, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যা কমে।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

আন্টি – মুলেরিয়ান হরমোন টেস্ট: গুরুত্ব ও স্বাভাবিক মাত্রা। Anti – Mullerian Hormone (AMH) Test: Uses and Normal Values.

অ্যান্টি – মুলেরিয়ান হরমোন মহিলাদের ডিম্বাশয় থেকে উৎপন্ন হয়। যদিও পুরুষদের দেহে এই হরমোন উৎপাদিত হয়, তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে এই হরমোন পরীক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে অ্যান্টি – মুলেরিয়ান হরমোন অর্থাৎ AMH এর মাত্রা পরীক্ষা করে মহিলাদের ডিম্বাশয় কতগুলি ডিম্ব আছে সেটা বোঝা যায়। সন্তান ধারণে কোন সমস্যা হলে এই হরমোন টেস্ট করে সমস্যা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। অ্যান্টি – মুলেরিয়ান হরমোন টেস্ট এর গুরুত্ব ও স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

Read More
রোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

ক্ল্যামিডিয়া টেস্ট: পরীক্ষা পদ্ধতি ও ফলাফলের ব্যাখ্যা: Chlamydia Test: Procedure and Interpretation of Result:

ক্ল্যামিডিয়া পরীক্ষার উদ্দেশ্য: Purpose of Chlamydia Test:

এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হল, দেহে ক্ল্যামিডিয়ার সংক্রমণ আছে কিনা তা নির্ধারণ করা। বেশিরভাগ ক্ল্যামিডিয়া রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের দেহে এই রোগের তেমন কোন উপসর্গ দেখা যায় না। তাই রোগ সনাক্ত করার জন্য কিছু প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরপর আপনার চিকিৎসক ক্ল্যামিডিয়া হয়েছে বলে মনে করলে ক্ল্যামিডিয়া শনাক্তকারী বিশেষ পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। এছাড়া দেহে ক্ল্যামিডিয়ার রোগ লক্ষণ দেখা গেলে নিশ্চিতভাবে রোগ শনাক্ত করার জন্য ক্ল্যামিডিয়া টেস্ট করতে দেওয়া হয়। ক্ল্যামিডিয়া ও গনোরিয়ার রোগ লক্ষণ অনেকটা একই রকম হওয়ায়, ক্ল্যামিডিয়ার সাথে গনোরিয়া টেস্টও করতে দেওয়া হয়।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্ট: Creatinine Clearance Test:

ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্ট করে আমরা জানতে পারি, আমাদের বৃক্ক বা কিডনি কতটা ভাল কাজ করছে বা কতটা সুস্থ আছে। কখন, কেন এবং কিভাবে ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্ট করা হয়, সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে। এছাড়া ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্টের ফলাফল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ক্রিয়েটিনিন হল আমাদের শরীরে উৎপন্ন হওয়া বিপাক জাত দূষিত পদার্থ। আমাদের দেহকোষ ও মাংস পেশী প্রোটিন জাতীয় খাদ্য ব্যবহার করার ফলে এই ক্রিয়েটিনিন উৎপন্ন হয়। বৃক্ক অর্থাৎ কিডনি এই ক্রিয়েটিনিন নামক দূষিত পদার্থকে শরীরের বাইরে নির্গত করে। এটি মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হয়।

এই ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্টের মাধ্যমে, আমাদের কিডনি অর্থাৎ বৃক্কের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে ভাল ধারণা পাওয়া যায়। আমাদের কিডনি প্রতি মিনিটে আমাদের রক্ত ছেঁকে পরিষ্কার করে। কিডনি কতটা পরিমাণ রক্ত পরিষ্কার করছে সেটা বোঝা যায় গ্লোমারুলার ফিল্ট্রেশন রেট দেখে। অর্থাৎ কিডনির মধ্যে অবস্থিত গ্লোমারুলাস নামক ছাঁকনির মধ্য দিয়ে কতটা রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে, সেটা দেখে বৃক্ক বা কিডনির স্বাস্থ্য সম্পর্কে ভাল ধারণা পাওয়া যায়। ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স টেস্ট এই গ্লোমারুলার ফিল্ট্রেশন রেট নির্ণয় করতে সাহায্য করে।

Read More
ল্যাব টেস্ট Lab Test

পেনিসে ছত্রাকের সংক্রমণ: কারণ, রোগ লক্ষণ ও চিকিৎসা। Male Yeast Infection | Penile Yeast Infection: Cause, Symptoms and Treatment.

পেনিসের ছত্রাকের সংক্রমণ কী? What is a Penile Yeast Infection?

আমাদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক বসবাস করে। সুস্থ মানুষের মধ্যে সাধারণত এই ছত্রাকগুলি তেমন কোন সমস্যার সৃষ্টি করে না। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ পেলে এই ছত্রাকগুলির অতিরিক্ত বৃদ্ধি ঘটে এবং ত্বকের গভীরে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। এর ফলে ত্বকে ফুসকুড়ি বা প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে। লিঙ্গের মাথায় অর্থাৎ গ্লান্স পেনিসে ছত্রাকের সংক্রমণকে ব্যালানাইটিস (Balanitis) বলা হয়।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

ডি ডিমার টেস্ট: ফাইব্রিন ডিগ্রেডেশন ফ্র্যাগমেন্ট টেস্ট: D Dimer Test: Fibrin Degradation Fragment Test:

ডি ডিমার টেস্ট: ফাইব্রিন ডিগ্রেডেশন ফ্র্যাগমেন্ট টেস্ট: D Dimer Test: Fibrin Degradation Fragment Test:

রক্তনালীর মধ্যে রক্ত জমে গিয়ে মারাত্মক কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে কিনা জানার জন্য ডি ডিমার অর্থাৎ ফাইব্রিন ডিগ্রেডেশন ফ্র্যাগমেন্ট টেস্ট করা হয়। কেন এবং কখন ডি ডিমার টেস্ট করা দরকার সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

আমাদের দেহের কোন অংশে কেটে গেলে বা রক্তপাত হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই কাটা স্থানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তপাত বন্ধ হয়। এটি শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেলে জমাট বাঁধা রক্ত পিণ্ডটির আর কোন প্রয়োজন থাকে না। একারণে আমাদের শরীর এই রক্তপিণ্ডটিকে ধাপে ধাপে ভেঙে ফেলে। এই রক্তপিণ্ড ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে আমাদের রক্তের মধ্যে কিছু অবশেষ দেখা যায়। ঠিক যেমন বাড়ি তৈরি হয়ে গেলেও কিছু ইট বালি পাথর পড়ে থাকে, তেমনিই। এই অবশেষগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ডি ডিমার। এটি একপ্রকার প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যেই শরীর থেকে এটি দূর হয়।

কিন্তু দেহে ডিপ ভেন থ্রমবোসিস হলে অর্থাৎ দেহের প্রধান কোন শিরার মধ্যে বেশি পরিমাণে রক্ত জমাট বাঁধলে ডি ডিমারের পরিমাণ বেশ বেশি হতে পারে। ডিপ ভেন থ্রমবোসিস একটি বিপদজনক ও মারাত্মক সমস্যা।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট: Postprandial Blood Sugar Test:

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট: Postprandial Blood Sugar Test:

রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ অর্থাৎ ব্লাড সুগারের পরিমাণ সঠিক আছে কিনা জানার জন্য যে পরীক্ষাগুলি করা হয় তার মধ্যে  সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ  হল  পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট। খাদ্য গ্রহণ করার পর এই রক্ত পরীক্ষা করা হয়। কি নিয়ম মেনে, কতটা পরিমাণ খাদ্যগ্রহণ করে পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার পরীক্ষা করে, কোন ব্যক্তি কী ধরনের ডায়াবেটিসে ভুগছেন সেটা সম্পর্কে ভাল ধারণা পাওয়া যায়। সাধারণত ভরপেটে খাদ্য গ্রহণ করার ঠিক 2 ঘণ্টা পর রক্তে গ্রহণ করে তার মধ্যে গ্লুকোজ বা সুগারের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।

দুপুরে ও রাত্রে আমরা ভরপেট খাদ্য গ্রহণ করে থাকি। খাদ্য গ্রহণ করার কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের রক্তে গ্লুকোজ বা সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আমাদের পৌষ্টিকতন্ত্রের অগ্নাশয় গ্রন্থি ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদন করে এবং রক্তশর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। যাদের ডায়াবেটিস হয়েছে তাদের দেহে ইনসুলিন কম উৎপাদিত হয় বা ইনসুলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে কাজ করতে পারে না। ফলে রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ বা সুগারের মাত্রা বেশি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে চোখ, স্নায়ুতন্ত্র, বৃক্ক বা কিডনি, রক্তজালক ইত্যাদি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Read More
Healthy Lifestyle স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাখাদ্য ও পানীয় Food & Drinksল্যাব টেস্ট Lab Test

ভিটামিন বি 12 পরীক্ষা: Vitamin B12 Test:

ভিটামিন বি 12 পরীক্ষা: Vitamin B12 Test:

আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে ভিটামিন বি 12 ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পর্যাপ্ত পরিমাণে লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদন করতে এবং ব্রেন ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকলাপ স্বাভাবিক রাখতে ভিটামিন বি 12 খুব প্রয়োজন।

Read More
রোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

মাণ্টু টেস্ট | টিউবারকিউলিন টেস্ট | পি পি ডি টেস্ট | Mantoux Test | PPD Test | Tuberculin Skin Test

মাণ্টু টেস্ট | টিউবারকিউলিন টেস্ট | পি পি ডি টেস্ট | Mantoux Test | PPD Test | Tuberculin Skin Test

যক্ষ্মা বা টিউবারকিউলোসিস হল ব্যাকটেরিয়া ঘটিত একটি রোগ। হাঁচি কাশি ইত্যাদির মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্য ব্যক্তির দেহে সংক্রমণ ঘটায়। যক্ষ্মা বা টিউবারকিউলোসিসের জীবাণু প্রাথমিকভাবে ফুসফুসে আক্রমণ করে। তবে দেহের যেকোন অঙ্গ যেমন মস্তিষ্ক, কিডনি, মেরুদণ্ড, হাড়, গ্ল্যাণ্ড ইত্যাদিতে টিউবারকিউলোসিসের সংক্রমণ হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে টিউবারকিউলোসিসের সংক্রমণ সনাক্ত করার জন্য বেশ কিছু টেস্ট করা হয়। এই প্রতিবেদনে মাণ্টু টেস্ট অর্থাৎ টিউবারকিউলিন স্কিন টেস্ট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

হিমোগ্লোবিন A-1 C পরীক্ষা: [Hemoglobin A-1 C Test]

হিমোগ্লোবিন A-1 C পরীক্ষা: [Hemoglobin A-1 C Test]

ডায়াবেটিস বা সুগার হয়েছে কিনা, সুগার হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা বা ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা জানতে হিমোগ্লোবিন A-1 C বা গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন নামক একটি পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল দেখে কিভাবে ডায়াবেটিস সম্পর্কে ধারণা পাবো সেটা জানতে প্রতিবেদনটি পড়তে থাকুন।

টাইপ I ও টাইপ II ডায়াবেটিস সম্পর্কে ধারণা পেতে হিমোগ্লোবিন A-1 C অর্থাৎ গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন টেস্ট একটি  প্রচলিত পদ্ধতি। হিমোগ্লোবিন A-1 C টেস্টের ফলাফল দেখে বিগত 2 – 3 মাস রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা কেমন ছিল, সেটা খুব ভালো বোঝা যায়।

আমাদের রক্তের প্রধান উপাদান লোহিত রক্ত কণিকা। লোহিত রক্ত কণিকার মধ্যে লাল রঙের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে; একে হিমোগ্লোবিন বলে। হিমোগ্লোবিন আমাদের দেহে অক্সিজেন বহন করে।

আমরা প্রধানত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করি। আমাদের দেহ পৌষ্টিকতন্ত্রে গ্লুকোজ রূপে এই খাদ্যকে শোষণ করে এবং রক্ত এই গ্লুকোজকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ পরিবাহিত হওয়ার সময় সামান্য কিছু অংশ হিমোগ্লোবিনের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়। একে গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন বা গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন বলে। রক্তে গ্লুকোজ বা সুগারের পরিমাণ বেশি থাকলে এই গ্লাইকোটেট হিমোগ্লোবিন বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং লোহিত রক্তকণিকা যতদিন বাঁচে অর্থাৎ প্রায় 120 দিন; ততদিন রক্তের মধ্যে থেকে যায়।

Read More