অ্যালার্জি রক্ত পরীক্ষা: উদ্দেশ্য, পদ্ধতি ও ফলাফল | Allergy Blood Test: Purpose, Procedure & Results
আমাদের চারপাশে এমন বহু পদার্থ আছে যা সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এই পদার্থগুলি কারো কারো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা Immune System-কে অতিরিক্ত উত্তেজিত করে তোলে। এই পদার্থগুলোকে বলা হয় ‘অ্যালার্জেন’ (Allergens)—যেমন ধূলিকণা, পরাগ-রেণু, গৃহপালিত পশুর লোম, কিছু নির্দিষ্ট খাবার যেমন চিংড়ি, ডিম, বাদাম, ইত্যাদি।
যখন কোনও অ্যালার্জেন প্রথমবার আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তখন আমাদের ইমিউন সিস্টেম সেটিকে শত্রু মনে করে একটি বিশেষ ধরনের অ্যান্টিবডি তৈরি করে। এই অ্যান্টিবডিটির নাম হল IgE ,Immunoglobulin E। এই IgE অ্যান্টিবডিগুলি তৈরি হয়ে রক্তের মাধ্যমে আমাদের ত্বকের মাস্ট সেল (Mast Cells), ফুসফুস, পৌষ্টিকতন্ত্র এবং রক্তের বেসোফিল (Basophil) কোষের সাথে যুক্ত হয়ে অবস্থান করে।
আসল ঘটনা ঘটে যখন ওই অ্যালার্জেনটি দ্বিতীয়বার আমাদের শরীরের সংস্পর্শে আসে! তখন এই IgE যুক্ত কোষগুলো ভীষণভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং রক্তে ‘হিস্টামিন’ (Histamine) নামক রাসায়নিক নিঃসৃত করে। এর ফলেই শুরু হয় অ্যালার্জিক রিয়াকশন—যেমন চুলকানি, ফুসকুড়ি, হাঁচি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট।
অ্যালার্জি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে এই বিশেষ IgE অ্যান্টিবডির মোট পরিমাণ (Total IgE) এবং নির্দিষ্ট অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া অ্যালার্জেন স্পেসিফিক IgE (Specific IgE) নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।
Read More