রক্ত পরীক্ষা Blood Test

রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট: Postprandial Blood Sugar Test:

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট: Postprandial Blood Sugar Test:

রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ অর্থাৎ ব্লাড সুগারের পরিমাণ সঠিক আছে কিনা জানার জন্য যে পরীক্ষাগুলি করা হয় তার মধ্যে  সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ  হল  পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার টেস্ট। খাদ্য গ্রহণ করার পর এই রক্ত পরীক্ষা করা হয়। কি নিয়ম মেনে, কতটা পরিমাণ খাদ্যগ্রহণ করে পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা উচিত সেটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

পোস্টপ্যারেনডিয়াল ব্লাড সুগার পরীক্ষা করে, কোন ব্যক্তি কী ধরনের ডায়াবেটিসে ভুগছেন সেটা সম্পর্কে ভাল ধারণা পাওয়া যায়। সাধারণত ভরপেটে খাদ্য গ্রহণ করার ঠিক 2 ঘণ্টা পর রক্তে গ্রহণ করে তার মধ্যে গ্লুকোজ বা সুগারের পরিমাণ পরিমাপ করা হয়।

দুপুরে ও রাত্রে আমরা ভরপেট খাদ্য গ্রহণ করে থাকি। খাদ্য গ্রহণ করার কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের রক্তে গ্লুকোজ বা সুগারের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। আমাদের পৌষ্টিকতন্ত্রের অগ্নাশয় গ্রন্থি ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদন করে এবং রক্তশর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। যাদের ডায়াবেটিস হয়েছে তাদের দেহে ইনসুলিন কম উৎপাদিত হয় বা ইনসুলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে কাজ করতে পারে না। ফলে রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ বা সুগারের মাত্রা বেশি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে চোখ, স্নায়ুতন্ত্র, বৃক্ক বা কিডনি, রক্তজালক ইত্যাদি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

হিমোগ্লোবিন A-1 C পরীক্ষা: [Hemoglobin A-1 C Test]

হিমোগ্লোবিন A-1 C পরীক্ষা: [Hemoglobin A-1 C Test]

ডায়াবেটিস বা সুগার হয়েছে কিনা, সুগার হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা বা ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণে আছে কিনা জানতে হিমোগ্লোবিন A-1 C বা গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন নামক একটি পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার ফলাফল দেখে কিভাবে ডায়াবেটিস সম্পর্কে ধারণা পাবো সেটা জানতে প্রতিবেদনটি পড়তে থাকুন।

টাইপ I ও টাইপ II ডায়াবেটিস সম্পর্কে ধারণা পেতে হিমোগ্লোবিন A-1 C অর্থাৎ গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন টেস্ট একটি  প্রচলিত পদ্ধতি। হিমোগ্লোবিন A-1 C টেস্টের ফলাফল দেখে বিগত 2 – 3 মাস রক্তে ব্লাড সুগারের মাত্রা কেমন ছিল, সেটা খুব ভালো বোঝা যায়।

আমাদের রক্তের প্রধান উপাদান লোহিত রক্ত কণিকা। লোহিত রক্ত কণিকার মধ্যে লাল রঙের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকে; একে হিমোগ্লোবিন বলে। হিমোগ্লোবিন আমাদের দেহে অক্সিজেন বহন করে।

আমরা প্রধানত কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করি। আমাদের দেহ পৌষ্টিকতন্ত্রে গ্লুকোজ রূপে এই খাদ্যকে শোষণ করে এবং রক্ত এই গ্লুকোজকে শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ পরিবাহিত হওয়ার সময় সামান্য কিছু অংশ হিমোগ্লোবিনের সাথে স্থায়ীভাবে যুক্ত হয়। একে গ্লাইকেটেড হিমোগ্লোবিন বা গ্লাইকোসাইলেটেড হিমোগ্লোবিন বলে। রক্তে গ্লুকোজ বা সুগারের পরিমাণ বেশি থাকলে এই গ্লাইকোটেট হিমোগ্লোবিন বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং লোহিত রক্তকণিকা যতদিন বাঁচে অর্থাৎ প্রায় 120 দিন; ততদিন রক্তের মধ্যে থেকে যায়।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

ডিহাইড্রোএপিঅ্যানড্রোস্টেরণ (DHEA) সালফেট টেস্ট: DHEA(Dehydroepiandrosterone) Sulfate Test:

ডিহাইড্রোএপিঅ্যানড্রোস্টেরণ সংক্ষেপে DHEA সালফেট হল, এমন একটি পুরুষ হরমোন যা পুরুষ ও মহিলা উভয়ের দেহে উপস্থিত থাকে। বয়:সন্ধিকালে পুরুষদের গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্যগুলির বিকাশে এই হরমোনের ভূমিকা রয়েছে। এছাড়া ডিহাইড্রোএপিঅ্যানড্রোস্টেরণ (DHEA) সালফেট পরিবর্তিত হয়ে, পুরুষ হরমোন যেমন, টেস্টোস্টেরণ এবং মহিলা হরমোন যেমন ইস্ট্রোজেন ইত্যাদিতে পরিণত হতে পারে।

Read More
Healthy Lifestyle স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রারক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

প্রোজেস্টেরণ হরমোন টেস্ট: Progesterone Hormone Test:

প্রোজেস্টেরণ পরীক্ষা কি? What is a Progesterone Test?

প্রোজেস্টেরণ পরীক্ষার সাহায্যে রক্তে প্রোজেস্টেরণ মাত্রা পরিমাপ করা হয়। গর্ভাবস্থায় প্রোজেস্টেরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোজেস্টেরণ মহিলাদের শরীরকে গর্ভধারণ করার উপযোগী করে তোলে অর্থাৎ নিষিক্ত ডিম্বাণুর বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে। সন্তানের জন্মের পর স্তন থেকে দুগ্ধ উৎপাদনে সাহায্য করে এই হরমোন। প্রোজেস্টেরণ মহিলাদের মেনস্ট্রাল পিরিওড নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত ডিম্ব স্ফোটনের সময় পর্যন্ত প্রোজেস্টেরণ মাত্রা বৃদ্ধি পায় এবং গর্ভধারণ না হলে প্রোজেস্টেরণের মাত্রা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। গর্ভাবস্থায় প্রোজেস্টেরণের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় 10 গুন বেশি থাকে।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ (LDH) টেস্ট: Lactate Dehydrogenase (LDH) Test / LD Test / Lactic Acid Dehydrogenase:

ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ টেস্ট কী? What is Lactate Dehydrogenase Test?

এটি হল এক প্রকার উৎসেচক। শর্করা থেকে শক্তি উৎপাদন করার সময় ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ প্রয়োজন হয়। দেহের বিভিন্ন অঙ্গে ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ উপস্থিত থাকে। লিভার, হৃৎপিণ্ড, অগ্ন্যাশয়, কিডনি, পেশী, লসিকা কলা এবং রক্ত কণিকার মধ্যে LDH অর্থাৎ ল্যাকটেট ডিহাইড্রোজিনেজ উপস্থিত থাকে।

দেহের কোন অংশে আঘাত লাগলে বা দেহকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে, রক্তে LDH এর মাত্রা বৃদ্ধি ঘটে। অর্থাৎ রক্তে LDH এর মাত্রা বৃদ্ধি পেলে বুঝতে হবে যে, দেহে তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী কোন ক্ষতি হয়েছে। তবে কী কারণে ক্ষতি হয়েছে সেটা জানতে আরও কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Testস্বাস্থ্যকর চুল Healthy Hair

সিরাম আয়রন টেস্ট: Serum Iron Test:

রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার প্রধান কারণ হল দেহে আয়রন অর্থাৎ লোহার অভাব। শরীরে আয়রনের পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রা অপেক্ষা বেশি বা কম হলে জটিল সমস্যার সৃষ্টি হয়। আরও জানতে প্রতিবেদনটি পড়তে দেখতে থাকুন।

রক্তের প্রধান উপাদান হল রক্তরস এবং রক্তকণিকা। রক্তের মধ্যে থাকা রক্তকণিকা গুলি জমাট বাঁধলে যে হলদে তরল অবশিষ্ট থাকে তাকে সিরাম বলা হয়।

সিরাম আয়রন টেস্টের সাহায্যে; দেহের মধ্যে আয়রনের পরিমাণ কেমন আছে সেটা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। আয়রন একটি অত্যাবশ্যকীয় খনিজ উপাদান যা আমরা খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করি। লোহিত রক্ত কণিকায় উপস্থিত হিমোগ্লোবিন আমাদের দেহে অক্সিজেন পরিবহন করে। এই হিমোগ্লোবিনের প্রধান উপাদান হল আয়রন বা লোহা।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Condition

ডেঙ্গি জ্বর পরীক্ষা: Dengue Fever Test:

ডেঙ্গি জ্বর হলে, কোন পদ্ধতিতে রক্ত পরীক্ষা করলে সঠিক ফলাফল জানা যাবে এবং পরীক্ষার আগে কী নিয়ম মেনে চলতে হবে সেটা জানতে প্রতিবেদনটি পড়তে থাকুন।

ডেঙ্গি জ্বর হল ভাইরাস ঘটিত একটি রোগ। এডিশ নামক মশা এই রোগের ভাইরাসের বাহক। এডিশ মশা, রোগাক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে ভাইরাস গ্রহণ করে সুস্থ ব্যক্তির দেহে প্রবেশ করায়। সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।

ডেঙ্গি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে বেশিরভাগ রোগীদের তেমন কোন লক্ষণ দেখা যায় না। অনেক সময় সামান্য জ্বর, মাথা ব্যথা, ঠাণ্ডা লাগা ইত্যাদি দেখা যায়। এই লক্ষণগুলি প্রায় এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে যায়। আরও যেসকল লক্ষণ দেখা যায় সেগুলি হল, চোখের পিছনে ব্যথা, মাসেল ও জয়েন্টে ব্যথা, চামড়ায় র‍্যাস বেরোনো, বমি হওয়া ও গ্ল্যাণ্ড ফোলা ইত্যাদি।

কিছু রোগীদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গি জ্বর বিপজ্জনক হতে পারে। ডেঙ্গির বিপদ জনক অবস্থাকে বলা হয় “ডেঙ্গি হেমারেজিক ফিভার”। এক্ষেত্রে জীবনহানিকর কিছু লক্ষণ দেখা যায়। রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে রক্তপাত হওয়া, রক্তের চাপ কমে যাওয়া এবং দেহের কোন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি হতে পারে। এছাড়া নাক দিয়ে রক্তপাত, রক্তবমি, মলের মধ্যে রক্তপাত, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া ইত্যাদি রোগ লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

লাইপেজ পরীক্ষা: উদ্দেশ্য, পদ্ধতি ও ফলাফল। Lipase Test: Purpose, Procedure and Resut.

রক্তে লাইপেজের মাত্রা বেশি মানে অগ্ন্যাশয় থেকে লাইপেজ, পৌষ্টিকতন্ত্রের প্রবাহিত হতে পারছে না। এটা হতে পারে, পিত্ত-থলিতে পাথর হলে, অন্ত্রে কোন বাধার সৃষ্টি হলে বা অটো ইমিউন রোগে পৌষ্টিক তন্ত্রের ক্ষতি হলে। গ্রুটেন যুক্ত খাদ্য থেকে হওয়া অ্যালার্জির কারণে অন্ত্রের ক্ষতি হলে, পাকস্থলীতে আলসার হলে, পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ বা প্রদাহ হলে, রক্তে লাইপেজের মাত্রা বেশি হয়। তবে অগ্ন্যাশয় অসুস্থ হলে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লাইপেজের মাত্রা বৃদ্ধি ঘটে। অগ্ন্যাশয় সংক্রমণ হলে, ক্যান্সার হলে, লাইপেজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এছাড়া গলব্লাডারে সিস্ট হলে, লিভারে সিরোসিস হলে, কিডনি অসুস্থ হলে, লাইপেজের মাত্রা বৃদ্ধি ঘটে। বেশ কিছু ওষুধ আছে যা সেবন করলে লাইপেজ বাড়ে।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testরোগ ও ব্যাধি Health Conditionল্যাব টেস্ট Lab Test

সি রিয়াকটিভ প্রোটিন রক্ত পরীক্ষা: C Reactive Protein Test:

লিভার অর্থাৎ যকৃত থেকে সি রিয়াকটিভ প্রোটিন উৎপন্ন হয়। দেহের মধ্যে ইনফ্লামেশন অর্থাৎ প্রদাহ সৃষ্টি হলে সি রিয়াকটিভ প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (LDL) রক্তনালীর গহ্বর সংকীর্ণ করে দেয় এবং রক্তনালীর গায়ে প্রদাহ সৃষ্টি করে। রক্তনালীর গায়ের এই প্রদাহ বা ইনফ্লামেশনকে সারিয়ে তুলতে আমাদের শরীর কিছু প্রোটিনকে কাজে লাগায়। সি রিয়াকটিভ প্রোটিন এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য।সি রিয়াকটিভ প্রোটিন টেস্ট এর সাহায্যে রক্তের মধ্যে এই বিশেষ প্রোটিনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে কিনা সেটা দেখা হয়। দেহে এই মুহূর্তে কোন তীব্র বা দীর্ঘকালীন প্রদাহ অর্থাৎ ইনফ্লামেশন আছে কিনা সেটা এই টেস্টের সাহায্যে বোঝা যায়।সি রিয়াকটিভ প্রোটিনের উৎপাদন খুবই স্পর্শকাতর। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সি রিয়াকটিভ প্রোটিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। দেহের মধ্যে কোন আঘাত লাগলে, কোন ইনফেকশন হলে বা কোন প্রদাহ অর্থাৎ ইনফ্লামেশন হলে, সি রিয়াকটিভ প্রোটিন উৎপাদিত হয়।

Read More
রক্ত পরীক্ষা Blood Testল্যাব টেস্ট Lab Test

রক্তের পটাশিয়াম পরীক্ষা এবং নরমাল লেভেল: Potassium Test and Normal Range:

রক্তের পটাশিয়াম পরীক্ষা এবং নরমাল লেভেল: Potassium Test and Normal Range:

পটাশিয়াম হল এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রোলাইট, যা আমাদের স্নায়ুতন্ত্র ও মাংসপেশির কাজ স্বাভাবিক রাখে। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা সামান্য কমবেশি হলে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। কী কী সমস্যা দেখা দিলে পটাশিয়াম পরীক্ষা করা প্রয়োজন এবং পরীক্ষার আগে কী কী নিয়ম মেনে চলা দরকার, সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

Read More